যদি মন কাঁদে চলে এসো এক বর্ষায়

যদি মন কাঁদে চলে এসো এক বর্ষায়

মনের ভাবকে কথা সুর ও তালের মধ্যে দিয়ে প্রকাশ করা হলো গান। গান গণমানুষের কথা বলে। দেশ, মাটি ও প্রকৃতির কথা বলে। মানুষ মাটি থেকে উদ্ভূত সংগীত কণ্ঠে ধারণ করে চলেছে যুগ যুগ ধরে। সংগীতকলার তিনটি দিক- গীত, বাদ্য ও নৃত্যের অন্যতম গীত বা গান। পল্লীসংগীত, রাগসংগীত, রবীন্দ্রসংগীত, নজরুলসংগীত, রামপ্রসাদী গান, অতুলপ্রসাদের গান, রজনীকান্তের গান, দ্বিজেন্দ্র গীতি ও আধুনিক বাংলা গান।

গান সম্পর্কে অধ্যাপক আবুল হোসেন চৌধুরী বলেছেন-‘জন্ম, বিবাহ, আনন্দ-বেদনা এমন কি মৃত্যু সবখানেই গানের আবেদন অপরিসীম।’ সত্যি তাই! সংগীত আমাদের জীবনের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত। এতে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই। গান আমাদের মনে অন্য রকম একটা প্রভাব ফেলে, যা অন্য কিছু থেকে আলাদা। গান মানুষের মনে সহজে প্রবেশ করতে পারে। সুতরাং গানের আবেদন মানুষের হৃদয়কে আকৃষ্ট করে। মোবারক হোসেন খান তার ‘সঙ্গীত দর্পণ’ বইটিতে লিখেছেন- ‘সংগীতের মধ্যে একটা অগ্নি- শক্তিও নিহিত রয়েছে। সেই শক্তিতে নির্ভর করে চারণ কবি মুকুন্দ দাস গ্রামে গ্রামে গান গেয়ে ইংরেজ শাসনের বিরুদ্ধে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করে তুলেছিলেন। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের গানও সেই অগ্নি- শক্তির রূপ পরিদৃষ্ট হয়। তাদের রচিত গান হতাশ জাতির মন জাগ্রত করেছে আশার বাণী। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধেও সংগীত সমগ্র জাতিকে স্বাধীনতার মন্ত্রে উদ্বুদ্ধ করে তুলেছিল। মানব জীবনে তাই সংগীতের ভূমিকা এবং প্রভাব সর্বকালই বিদ্যমান।’

লালন শাহ ও হাসন রাজা, বাউল গানের দুই অমর দিশারি। তাদের গানের আধ্যাত্মবাদের পরশ হৃদয়কে মথিত করে। আমাদের মনকে নিয়ে যায় গভীর চিন্তার সমুদ্রে। তাদের গানের আবেদন কোনোদিন শেষ হবে না! কেননা, ঐসব গানগুলো মিশে আছে মানুষের অন্তরে অন্তরে। প্রকৃতির শিকড়ে শিকড়ে। একই গান সময় স্থান প্রকারভেদের পার্থক্যে এক এক সময় এক এক রকম লাগে। আপনি নিজেই তা বুঝতে পারবেন। যদি লক্ষ্য করেন, যে গান আপনি এখন মানে দুপুরে শুনছেন। সে গান যদি গভীর রাত শোনেন। তাহলে বুঝবেন তার তারতম্য কতখানি! যাইহোক সেই সব কথা।

এবার আসা যাক আরেকজন গান রচয়িতার কথায়। যাকে আমরা কয়েক বছর হলো হারিয়েছি। আজ ১৩ নভেম্বর তার জন্মদিন। তিনি তার প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে গেছেন সংগীত, নাটক, শিশুসাহিত্য, চলচ্চিত্র, গল্প, উপন্যাস, ছোটগল্পে। অনেক চরিত্র তার সৃষ্টি মিসির আলী এবং হিমু তার মধ্যে অন্যতম। লেখালেখির সব সীমানা ছাড়িয় গেছেন তিনি। তার লেখার জাদুর পরশে আমরা পেয়েছি- শঙ্খনীল কারাগার, নন্দিত নরকে, তুই রাজাকার, এইসব দিনরাত্রিসহ অজস্র সৃষ্টি। আমি জানি! আমি না বললেও আপনাদের বুঝতে বাকি নেই কে সেই কলম জাদুকর…। হ্যাঁ তিনি শ্রদ্ধেয় হুমায়ূন আহমদ। তার সাহিত্যের চম্বুক টানের মতোই গানেও আমরা খুঁজে পাই জীবনের আবেদন। খুঁজে পাই বাউল মনের পরিচয়। আর সেই বাউল মনেই হুমায়ূন আহমদকে এনে দাঁড় করিয়েছে সংগীতে।

হুমায়ূন আহমদের গান প্রচলিত অন্য সব গান থেকে বেশ আলাদা এ কথা বলতেই হবে। তার গান বেশিরভাগ প্রকৃতি নির্ভর। প্রতিটি গানের উপমায় উঠে এসেছে ফুল, পাখি, পাহাড়, নদী, অরণ্য, মাটি, চাঁদ-তাঁরা এমন কি আকাশর নীলও বাদ পড়েনি। যদিও তার গানগুলোর জন্ম বর্তমান সময়ে। সৃষ্টি কখনো সময়ের মাপকাঠিতে বাধা পড়ে থাকে না। তার গানের প্রতিটি শব্দ এত শক্তিশালী, এত মনোমুগ্ধকর, যা সময়ের প্রচলিত ধারাকে ভেঙে সৃষ্টি করেছে সম্পূর্ণ ব্যতিক্রমী উপমা, অলঙ্করণ এবং নতুন ভাবধারা।

হুমায়ূন আহমদের জন্ম ও ছেলেবেলা:

হুমায়ূন আহমদ ১৯৪৮ সালের ১৩ই নভেম্বর তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ময়মনসিংহ জেলার অন্তর্গত নেত্রকোণা মহকুমার কদুয়ার কুতুবপুর জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা শহিদ ফয়জুর রহমান আহমদ এবং মা আয়শা ফয়েজ। তার পিতা একজন পুলিশ কর্মকর্তা ছিলেন এবং তিনি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকাল তৎকালীন পিরোজপুর মহকুমার এসডিপিও হিসেবে কর্তব্যরত অবস্থায় শহিদ হন। তার বাবা পত্র-পত্রিকায় লেখালিখি করতেন। বগুড়ায় থাকার সময় তিনি একটি গ্রন্থও প্রকাশ করেছিলেন। গ্রন্থের নাম ‘দ্বীপ নেভা যার ঘর’। তার মায়ের লেখালেখির অভ্যাস না-থাকলেও একটি আত্মজীবনী গ্রন্থ রচনা করেছেন যার নাম জীবন যে রকম।

তার অনুজ মুহম্মদ জাফর ইকবাল দেশের একজন বিজ্ঞান শিক্ষক এবং কথাসাহিত্যিক; সর্বকনিষ্ঠ ভ্রাতা আহসান হাবীব রম্য সাহিত্যিক এবং কার্টুনিস্ট। তার রচিত উপন্যাস থেকে জানা যায় যে ছোটকালে হুমায়ূন আহমদের নাম রাখা হয়েছিল শামসুর রহমান; ডাকনাম কাজল। তার পিতা (ফয়জুর রহমান) নিজের নামের সঙ্গে মিল রেখে ছেলের নাম রাখেন শামসুর রহমান। পরবর্তীতে আবার তিনি নিজেই ছেলের নাম পরিবর্তন করে হুমায়ূন আহমদ রাখেন। হুমায়ূন আহমদের ভাষায়, তার পিতা ছেলেমেয়েদের নাম পরিবর্তন করতে পছন্দ করতেন। তার ছোট ভাই মুহম্মদ জাফর ইকবালের নাম আগে ছিল বাবুল এবং ছোটবোন সুফিয়ার নাম ছিল শেফালি। ১৯৬২-৬৪ সালে চট্টগ্রাম থাকাকালীন সময়ে হুমায়ূন আহমদের নাম ছিল বাচ্চু।

শিক্ষা এবং কর্মজীবন:

তার বাবার চাকরি সূত্রে দেশের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করেছেন। বিধায় হুমায়ূন আহমদ দেশের বিভিন্ন স্কুলে লেখাপড়া করার সুযোগ পেয়ছেন। তিনি বগুড়া জিলা স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পরীক্ষা দেন এবং রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন। তিনি পরে ঢাকা কলেজে ভর্তি হন এবং সেখান থেকেই বিজ্ঞানে ইন্টারমিডিয়েট পাশ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রসায়ন শাস্ত্র অধ্যয়ন করেন এবং প্রথম শ্রেণিতে বিএসসি (সম্মান) ও এমএসসি ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি মুহসীন হলের আবাসিক ছাত্র ছিলেন এবং ৫৬৪ নং কক্ষে তার ছাত্রজীবন অতিবাহিত করেন। পরে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রর নর্থ ডাকাটা স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে পলিমার রসায়ন বিষয়ে গবেষণা করে পিএইচডি লাভ করেন। ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত থাকা অবস্থায় প্রথম বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনি ‘তোমাদের জন্য ভালোবাসা’ রচনা করেন। ১৯৭৪ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করেন। লেখালেখিতে ব্যস্ত হয়ে পড়ায় এক সময় তিনি অধ্যাপনা ছেড়ে দেন। শিক্ষক হিসেবে ছাত্র-ছাত্রীদর কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিলেন অধ্যাপক হুমায়ূন আহমদ।

সাহিত্যকৃতি:

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র জীবনে একটি নাতিদীর্ঘ উপন্যাস রচনার মধ্য দিয়ে হুমায়ূন আহমদের সাহিত্য জীবনের শুরু। এ উপন্যাসটির নাম ছিল ‘নন্দিত নরকে’। ১৯৭১-এ মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে উপন্যাসটি প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি। ১৯৭২-এ কবি-সাহিত্যিক আহমদ ছফার উদ্যোগে উপন্যাসটি খান ব্রাদার্স কর্তৃক গ্রন্থাকারে প্রথম প্রকাশিত হয়। প্রখ্যাত বাংলা ভাষাশাস্ত্র পণ্ডিত আহমদ শরীফ স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে এ গ্রন্থটির ভূমিকা লিখে দিলে বাংলাদেশের সাহিত্য মহলে কৌতূহল সৃষ্টি হয়। ‘শঙ্খনীল কারাগার’ ছিল তার দ্বিতীয় গ্রন্থ।

তিনি অনায়াসে বিশ্বাসযোগ্যভাবে অতিবাস্তব ঘটনার অবতারণা করতেন, যাকে একপ্রকার জাদু বাস্তবতা হিসেবে গণ্য করা যায়। তার গল্প ও উপন্যাস সংলাপপ্রধান। তার বর্ণনা পরিমিত এবং সামান্য পরিসরে কয়েকটি মাত্র বাক্যর মাধ্যমে চরিত্র চিত্রণের অদৃষ্টপূর্ব প্রতিভা তার ছিল। সকল রচনাতেই একটি প্রগাঢ় শুভবোধ ক্রিয়াশীল থাকে; ফলে নেতিবাচক চরিত্রও তার লেখায় লাভ করেছে দরদি রূপায়ণ। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত উপন্যাস ‘মধ্যাহ্ন’ তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ রচনা হিসেবে পরিগণিত। এছাড়া জোছনা ও জননীর গল্প আরেকটি বড় মাপের রচনা।

হুমায়ূন আহমদ মানুষের যে ভালোবাসা পেয়েছেন সত্যি তা বিরল। ক’জনের ভাগ্যে জোটে এমন ভালোবাসা ? তিনি কোটি মানুষের মন জয় করেছেন তার সৃষ্ট শিল্প দিয়ে। এখানেই একজন মানুষের সার্থকতা। মানুষের মন জয় করার মতো কঠিন কাজ পৃথিবীতে আর আছে কি? আর সেই কাজটাই করেছেন হুমায়ূন আহমদ। তাই তো তিনি শিক্ষকতার পেশা ছেড়ে দিয়ে হলেন- একজন শিল্পস্রষ্টা, একজন নন্দিত কলম জাদুকর।

হুমায়ূন আহমদের চিত্রকর্ম:

তার কথামালাতেই নতুন করে মাত্রা পেয়েছে বাংলার চিরচেনা সবুজ-শ্যামল বৃক্ষ, ফুল পাখি, পাহাড় নদী, বৃষ্টি ও জোছনা। এই মানুষটি পরম আনন্দে এঁকে গেছেন চিত্রকর্মও। হুমায়ূন আহমদের আঁকা ছবিতে বাংলার নৈসর্গিক দৃশ্যের প্রতিফলন লক্ষ্য করা যায়। তেমনই তার আঁকা চিত্রকর্মের নামকরণেও রয়েছে বাংলার প্রকৃতি, মাটি, জল ও মানুষের আবেগ। সবুজের ছড়াছড়ি, মেঘের ধূসর, কৃষ্ণচূড়া ও প্রজাপতির বর্ণিল। সবই যেন স্থান পেয়েছে তার আঁকা চিত্রকর্মে। আর তারই সাদৃশ্য খুঁজে পাওয়া যায় প্রতিটি চিত্রকর্মের শিরোনামে। যেমন- মেঘের খেলা দেখে কত খেলা মনে পড়ে, এমন দিনে তারে বলা যায়, পুরোনো সেই দিনের কথা, বৃক্ষের তন্দ্রা, ফাগুনেরও নবীন আনন্দ, দিনের শেষে, মেঘ বালিকা, কৃষ্ণচূড়ার কান্না, সুন্দরবন, ঝরঝর মুখর বাদল দিন, বন বালা, জলে কার ছায়া গো? কার ছায়া জলে?, পুষ্প কথা, বাড়ি ফেরা, মধ্য দুপুর চিত্রকর্মই তার প্রমাণ।

হুমায়ূন আহমদর কালজয়ী গান:

নন্দিত কথাশিল্পী হুমায়ূন আহমদর গানে আমরা খুঁজে পাই বাংলার বর্ণিল উপমার ছোঁয়া। খুঁজে পাই তার বাউল মনের পরিচয়। সাধারণত হুমায়ূন আহমদ গান লিখতেন তার নাটক কিম্বা চলচ্চিত্রের জন্য। যদিও তার নাটক প্রায় ১০০, গল্প, উপন্যাস ও ছোটগল্পর বই ৩৬২, চলচ্চিত্র সাতটা। গানের সংখ্যা একবারে সামান্য। তাত কী? এই কয়েকটা গানই ভাবিয়ে তোলে আমাদেরকে। পুলকিত করে আমাদের মন-প্রাণকে। এমনই নন্দনতন্ত্রের মিশল রয়েছে হুমায়ূন আহমদের কালজয়ী গানের সম্ভারে।

হুমায়ূন আহমদের অতুলনীয় গানগুলো আমাদেরকে নিয়ে যায়- গভীর থেকে  হৃদয়ের গভীরে। হুমায়ূন আহমদ আসলে লেখার হ্যামিলিনের সেই বাঁশিওয়ালা জাদুকর! লেখার প্রতিটি স্থানে আপন মনে ছড়িয়ে গেছেন তার জাদুর মহিমা। তার গান শুধু শোনার বিষয়ই না। বরং তা পড়ারও বিষয়। এক একটা গান যেন একেকটা শক্তিশালী গল্প।

একটু ভালো করে লক্ষ্য করলেই তার প্রমাণ পাওয়া যাবে। চোখের মণি কোঠায় হৃদয়ের গহীনে ভেসে উঠবে সেই সব গানের গল্প; নিত্য নতুন দৃশ্য ধারণ করে। গান সাধারণত আমরা শুনই থাকি! তা পাঠ করার মতো লোকের সংখ্যা যেমন কম, তেমনি সংখ্যাও সামান্য। আমরা ক’জনই বা খবর রাখি কোন গানটা কে লিখছেন? কালজয়ী সব গানের বেলায়ও এর ব্যতিক্রম নয়। তবে এমনটা হওয়া কি ঠিক? একটা গানের সর্বপ্রথম শিল্পী হচ্ছেন সেই গানের লেখক বা গীতিকার।  তারপর সুরকার, তারপর শিল্পী। অথচ আমরা শুধু শিল্পীকে নিয়েই এক ধরনের নাচানাচিতে ব্যস্ত থাকি। এর জন্য অনেক মিডিয়াও দায়ী। তবে মিডিয়ার একার দোষ না দিয়ে এব্যাপারে সবাইকে সোচ্চার হতে হবে। শুধু মিডিয়াকে দোষারোপ করলে চলবে না। মিডিয়া আছে বলেই আমরা গীতিকার হুমায়ূন আহমদকে চিনত পেরেছি, জানতে পেরেছি।

তিনি চিরদিন বেঁচে থাকবেন বরষার প্রথম দিন হয়ে, রুপালি জোছনা হয়ে। তার লেখা গানের কথায় বলতে হয় ‘যে থাক আঁখি পল্লবে, তার সাথে কেনো দেখা হবে, নয়নের জলে যার বাস, সেতো রবে নয়নে নয়নে, তার সাথে কেনো দেখা হবে। ২০১২ সালর ১৯ জুলাই হুমায়ূন আহমদ চলে যান না ফেরার দেশে। পরিশেষে রইলো শিল্পস্রষ্টা হুমায়ূন আহমদের প্রতি জন্মবার্ষিকীর শ্রদ্ধাঞ্জলি।

সূত্র : 
হুমায়ূন আহমদর শেষ দিনগুলা (বিশ্বজিত সাহা)
সঙ্গীত দর্পণ (বাংলা একাডেমি, মোবারক হাসন খান)
ভাব-সঙ্গীত (খন্দকার রফিউদ্দিন)
হুমায়ূন আহমদ, বাংলাপিডিয়া

More News...

কবি শামসুর রাহমানের ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী কবি শামসুর রাহমানের ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী