দারিদ্র্য নিরসনে জাকাত সর্বশ্রেষ্ঠ পন্থা : ধর্ম উপদেষ্টা

দারিদ্র্য নিরসনে জাকাত সর্বশ্রেষ্ঠ পন্থা : ধর্ম উপদেষ্টা
ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, ‘দারিদ্র্য নিরসনে জাকাত সর্বশ্রেষ্ঠ পন্থা। এর সুফল পেতে কোরআন-সুন্নাহর বিধান অনুসারে জাকাত আদায় ও বিতরণ করতে হবে। ইসলামী শরিয়তের বিধান অনুসরণ ব্যতীত জাকাতব্যবস্থার সুফল পাওয়া সম্ভব নয়।’

রবিবার (২৩ মার্চ) ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আয়োজনে ইফার বায়তুল মোকাররম মিলনায়তনে ‘দারিদ্র্য বিমোচনে জাকাতের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশে তিন থেকে চার কোটি মানুষ দরিদ্র। এসব মানুষের দারিদ্র্যতা নিরসনের জন্য যথাযথভাবে জাকাত আদায় ও তা বিতরণ করতে হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের (ইফা) মহাপরিচালক আ. ছালাম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন ইফা বোর্ড অব গভর্নরসের গভর্নর মাওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী, ড. খলিলুর রহমান মাদানী, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মু. আ. আউয়াল হাওলাদার।

জাকাত আদায়ের ফজিলত তুলে ধরে উপদেষ্টা আরো বলেন, ‘আমরা জাকাত আদায়ের মাধ্যমে আল্লাহর হুকুম পালনের পাশাপাশি তার রহমত লাভ করে থাকি। জাকাতের মাধ্যমে বাজারে অর্থের সঞ্চালন বৃদ্ধি পায়, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়।

সরকারি জাকাত বোর্ডের কার্যক্রম তুলে ধরে ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, এ বছর জাকাত বোর্ডের মাধ্যমে ১১ কোটি টাকা বিতরণ করা হবে এবং আগামী বছর ২৫ কোটি টাকা বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি সবাইকে সরকারি ফান্ডে জাকাতের অর্থ জমা দেওয়ার অনুরোধ জানান।

এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির অর্থনীতি বিভাগের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ওমর ফারুক। অন্যান্যের মধ্যে জাকাত বোর্ডের সদস্য মুফতি মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন আল আজহারী ও জাকাত তহবিল বিভাগের পরিচালক মো. আব্দুল হামিদ খান বক্তব্য প্রদান করেন। এ সেমিনারে ইমাম, খতিব, মাদ্রাসার শিক্ষক, সাংবাদিক ও আলেম-ওলামাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার তিন শতাধিক লোক অংশগ্রহণ করেন।